ডেনাইট সংবাদ » জাতীয় নির্বাচনে গোপালগঞ্জে তিনটি আসনের সম্ভাব্য প্রার্থীদের হাওয়া

২৫শে জানুয়ারি, ২০২১ ইং | ১২ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

234-60

জাতীয় নির্বাচনে গোপালগঞ্জে তিনটি আসনের সম্ভাব্য প্রার্থীদের হাওয়া

প্রকাশিত হয়েছে: সোমবার, ২৫, সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ১০:২৩ পূর্বাহ্ণ
m1

m1

জাতীয় নির্বাচনে গোপালগঞ্জে তিনটি আসনের সম্ভাব্য প্রার্থীদের হাওয়া

শেখ মোঃ সোহেল রানা:গোপালগঞ্জ জেলায় আগামী জাতীয় নির্বাচনে হাওয়া বইতে শুরম্ন করেছে। এ জেলা বিভিন্ন হাট বাজার, চায়ের দোকান, খাবার হোটেলে সর্বত্রই নির্বাচনী আলোচনায় সরগোম। এ আসনে আওয়ামী লীগ থেকে প্রার্থী হওয়ার কথা চার জনের নাম শোনা যাচ্ছে তারা হলেন- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদরের ছোট কন্যা শেখ রেহানা, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য শ্রী মুকুল বোস আব্দুর সেরনিয়াবাতের দৌহিত্র ও গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মরহুম মোহাম্মদ আলী খান আবু মিয়ার ছোট ভাইয়ের ছেলে ব্যারিষ্টার আলী আসিফ খান। আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য এ আসনের বর্তমান এমপি লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারম্নখ খান। অন্যান্য দলের মধ্যে জাতীয়তাবাদী দল থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশি বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-আইন সম্পাদক এ্যাড. জয়নাল আবেদীন মেজবাহ্ এবং বিএনপি সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (প্রসত্মাবিত ফরিদপুর বিভাগ) মোঃ সেলিমুজ্জামান সেলিম। জাতীয় পার্টির মনোনয়ন প্রত্যাশি কাশিয়ানী উপজেলার জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ছাত্র নেতা আব্দুল মান্নান শেখ মুন্নু। ইসলামী আন্দোলনের এ্যাড. মিজানুর রহমানের নাম শোনা যাচ্ছে। ১৪ দলীয় শরীক দল জাসদের কাশিয়ানী উপজেলার শাখার সভাপতি ও সাংবাদিক মোঃ ফায়েকুজ্জামান, সহ-সভাপতি কাশিয়ানী প্রেসক্লাব এর নাম শোনা যাচ্ছে।

গোপালগঞ্জ-১ আসন

কাশিয়ানী উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন এবং মুকসুদপুর উপজেলার ষোলটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গোপালগঞ্জ-১ আসন গঠিত। উলেস্নখ্য যে, এই আসনে তৃণমূল পর্যায়ে বঙ্গবন্ধুর ছোট কন্যা শেখ রেহানা ব্যতীত অন্য তিন জনের মধ্যে শ্রী মুকুল বোস জনপ্রীয়তার শীর্ষে রয়েছে।

 

গোপালগঞ্জ-২ (গোপালগঞ্জ-কাশিয়ানী)

এই আসনে আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী হবেন আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য বর্তমান এমপি শেখ ফজলুল করিম সেলিম। তিনি ৩৭ বছর ধরে সংসদে এ এলাকার মানুষের প্রতিনিধিত্ব করছেন। সাত বার এ আসন থেবে নির্বচিত হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দী প্রার্থীরা তার কাছে সব নির্বাচনেই জামানত খুইয়েছেন। এ আসনে প্রবীণ এ নেতার কোনো প্রতিদ্বন্দী নেই। জেলা বিএনপির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক এমপি শরফুজ্জামান জাহাঙ্গীর, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এমএইচ খান মঞ্জু এর নাম শোনা যাচ্ছে।

জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষক পার্টির সভাপতি আলহাজ সাহিদুর রহমান টেপা এবং কেন্দ্রী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ আলমগীর হোসেনের নাম শোনা যাচ্ছে। জসদ (ইনু) গোপালগঞ্জ জেলার সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শেখ মাসুদুর রহমানের নামও শোনা যাচ্ছে।

জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষক পার্টির সভাপতি আলহাজ সাহিদুর রহমান টেপা এবং কেন্দ্রী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ আলমগীর হোসেনের নাম শোনা যাচ্ছে। জসদ (ইনু) গোপালগঞ্জ জেলার সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শেখ মাসুদুর রহমানের নামও শোনা যাচ্ছে। গোপালগঞ্জ-২ আসন সদর উপজেলার ২১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা এবং কাশিয়ানী উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত।

 

গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া)

 

গোপালগঞ্জ-৩ টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়ায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দলের তৃণমূল পর্যায়ে থেকে শেখ হাসিনাকে আগামী সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী চূড়ামত্ম করেছেন। এখানে আওয়ামী লীগের অন্য কোনো প্রার্থী নেই। অন্যান্য দলের মধ্যে এখানে কোনো শক্ত প্রার্থী নেই। বিএনপিসহ ১৮ দলীয় জোটের মধ্যে জেলা বিএনপি ভাইস প্রেসিডেন্ট এসএম জিলানী এর নাম শোনা যাচ্ছে। কোটালীপাড়া উপজেলা জাসদের (ইনু) সভাপতি অরম্নন চন্দ্র সাহার নাম শোনা যাচ্ছে। জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে এ্যাড. শিশির চৌধুরী, অপু শেখের নাম শোনা যাচ্ছে। টুঙ্গিপাড়া উপজেলায় পাঁচটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা এবং কোটালীপাড়া উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে এ আসন গঠিত।

গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব আলী খান জানান, বর্তমান সরকারের দ্বিতীয় মেয়াদের ÿমতা শেষের এখনো প্রায় দেড়বছর বাকী আছে। গোপালগঞ্জ জেলার মানুষ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ বিশ্বাসী। গোপালগঞ্জবাসী যে কোনো মূল্যে আগামী জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে হ্যাটট্রিক করতে চায়। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও পার্লামেন্টারি বোর্ড সিদ্ধামত্ম নিয়ে যাতে মনোনয়ন দেবে আমরা সকলে মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে তাকে বিজয়ী করতে কাজ করব। জেলা বিএনপির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম সিরাজ জানান, দলে একাধিক প্রার্থী মনোনয়ন চাইতে পারে। তবে কেন্দ্র থেকে যাদের মনোনয়ন দেওয়া হবে আমরা সকলে মিলে একসাথে কাজ করবো।

 

 

Print Friendly

©m01


সর্বশেষ খবর